গ্যারি স্টিড ,ছবি: সংগৃহীত।

আইসিসি’র অবশ্যই যৌথ চ্যাম্পিয়নের বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত ছিল : গ্যারি স্টিড

লন্ডন, ১৬ জুলাই ২০১৯  : নির্ধারিত ৫০ ওভারের পর সুপার ওভারে টাই সত্তেও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডসে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের ফাইনালে শেষ পর্যন্ত বাউন্ডারি বিবেচনায় ইংল্যান্ডকে বিজয়ী ঘোষনা করা হয়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) ‘বাউন্ডারি-কাউন্ট টাই ব্রেকার’ আইনানুযায়ী ইংল্যান্ড সুবিধা ভোগ করে চ্যাম্পিয়ন হয়। যদিও আইসিসি’র এই আইনের ব্যপক সমালোচনা ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। অনেক সাবেক ও বর্তমান ক্রিকেটারসহ বিশ্বজুড়ে সমর্থকরা এই আইনের পুর্নবিবেচনার দাবী জানিয়েছে।

নিউজিল্যান্ডের কোচ গ্যারি স্টিডও হতাশা প্রকাশ করেই বলেছেন টাই ম্যাচে আইসিসি’র অবশ্যই যৌথ চ্যাম্পিয়নের বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত ছিল।

ফাইনালের পরেরদিন টিম হোটেলে গণমাধ্যমের সাথে আলোচনার সময় স্টিড বলেছেন, ‘সাত সপ্তাহ কঠিন লড়াই অতিক্রম করে ফাইনালেও যেখানে কেউ কাউকে হারাতে পারেনি সেখানে যৌথ চ্যাম্পিয়নের বিষয়টি অবশ্যই বিবেচনায় আনা উচিত।

পুরো বিশ্বকাপ জুড়েই দেখা গেছে বেশ কিছু বিষয় নিয়েই আইসিসি’র নতুন করে ভাবা উচিত। আমি মনে করি এখনই এসব নিয়ে চিন্তা করার সবচেয়ে ভাল সময়। দেরী হলেই বিষয়গুলোর গুরুত্ব কমে যাবে।’

রোববার ইংল্যান্ডের ইনিংসের শেষ ওভারে দুটি নাটকীয় রান আউটে ম্যাচটি সুপার ওভারে গড়ায়। নির্ধারিত ৫০ ওভারে উভয় দলের স্কোর ছিল সমান ২৪১। শেষ পর্যন্ত সুপার ওভারেও দুই দল ১৫ রান করে সংগ্রহ করায় ম্যাচটি আবারো টাই হয়। এরপর বাউন্ডারির সংখ্যা বিবেচনায় ইংল্যান্ড বিজয়ী হয়। পুরো ম্যাচে ইংল্যান্ডের ২৬ বাউন্ডারির বিপরীতে নিউজিল্যান্ডের ছিল ১৭টি।

নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং কোচ ক্রেইগ ম্যাকমিলানও মনে করেন এই পরিস্থিতিতে ট্রফি ভাগাভাগি করার সিদ্ধান্তটি সবচেয়ে সঠিক হতো। তিনি বলেন, ‘গতকালকের ফলাফল কেউ পরিবর্তন করতে পারবেনা। কিন্তু সাত সপ্তাহের লম্বা একটি টুর্ণামেন্ট শেষে ফাইনালে যখন কেউ পরাজিত হয়নি তখন এভাবে ট্রফি হারানোটা দু:খজনক। আইন সকলের জন্যই সমান। কিন্তু শিরোপার প্রশ্নে আসলে শেষ পর্যন্ত হতাশাটাই রয়ে যায়। তাও যদি সেটা এভাবে হারাতে হয়। এই হতাশা থেকে বেরিয়ে আসাটা কঠিন হবে।


এর আগে সাবেক ক্রিকেটার গৌতম গাম্ভীর, ডিন জোনস, ব্রেট লি, যুবরাজ সিংসহ অনেকেই আইসিসি’র বাউন্ডারি আইনের ব্যপক সমালোচনা করেছেন।

Social Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *