মিচেল স্টার্ক , ছবি: সংগৃহীত।

আক্ষেপ নেই স্টার্কের

দেশের মাটিতে টি-২০ বিশ্বকাপ হবে, এই আশায় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ১৩তম আসর না খেলার সিদ্বান্ত নিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার বাঁ-হাতি পেসার মিচেল স্টার্ক। কিন্তু করোনাভাইরাসের কারনে অস্ট্রেলিয়ায় হবার কথা টি-২০ বিশ্বকাপ এক বছর পিছিয়ে গিয়েছে। তাই এ বছর বিশ্বকাপ বা আইপিএল কোনটাই খেলা হচ্ছে না স্টার্কের।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধ

করোনাভাইরাস প্রতিরোধ

তবে নিজের সিদ্বান্ত বদলালে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আগামী মাসে শুরু হওয়া আইপিএল খেলার সুযোগ পাবেন স্টার্ক। কিন্তু সিদ্বান্ত বদলাবেন না তিনি। আইপিএল চলাকলীন পরিবারের সাথেই ও নিজের ফিটনেস নিয়েই সময় কাটাবেন এই পেসার। তবে আইপিএল খেলতে না পারার জন্য কোন আক্ষেপ নেই স্টার্কের।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার ওয়েবসাইটকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে স্টার্ক বলেন, তার ভাবনা আগের মতোই আছে। সিদ্বান্তে কোন পরিবর্তন আনবেন না তিনি।

স্টার্ক বলেন, ‘আমি জানি আইপিএল দারুণ একটি টুর্নামেন্ট। পুরো বিশ্ব জুড়েই এই টুর্নামেন্ট জনপ্রিয়। সকলেই এই টুর্নামেন্টে খেলতে চান। আমি আইপিএলকে পছন্দ করি। এখন টি-২০ বিশ্বকাপ হবে না। আইপিএল হবে। কিন্তু আমি আমার ভাবনা বদলায়নি। এতে আমার কোন আক্ষেপ নেই। সতীর্থরা যখন আইপিএল খেলবে, আমি তখন আগামী গ্রীষ্মের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করবো। পরিবারকেও সময় দেয়ার সুযোগ পাবো। যা হবে, তাতেই আমি খুশি।’

আগামী বছর আইপিএল হলে, কোন ফ্র্যাঞ্চাইজি আগ্রহ দেখালে খেলবেন বলে জানান স্টার্ক। তিনি বলেন, ‘আগামী বছরও আইপিএল হবে। আমার প্রতি যদি কোন দল আগ্রহ প্রকাশ করে, আর আমার যদি খেলার ইচ্ছা হয়, তবে আমি বিবেচনা করবো। তবে এ বছরের জন্য নিজের সিদ্ধান্তে আমি তৃপ্ত।’

এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের মত আইপিএল থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন স্টার্ক। ২০১৮ সালের আইপিএলে প্রয় সাড়ে ৯ কোটি রুপিতে কলকাতা নাইট রাইডার্স দলে নিয়েছিলো তাাকে। কিন্তু ইনজুরির কারনে খেলতে পারেননি তিনি। আর এবার টি-২০ বিশ্বকাপের জন্য নিজেকে সরিয়ে নেন স্টার্ক।

২০১৪ ও ২০১৫ সালে আইপিএল খেলেছিলেন স্টার্ক। দু’বারই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুতে। ২৭ ম্যাচে ৩৪ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মাঠে ফেরায় খুশী স্টার্ক। তবে বিশ্বকাপটি পিছিয়ে যাওয়ায় বিছুটা হতাশ তিনি। তারপরও যা হয়েছে, সঠিকটিই হয়েছে বলে জানান স্টার্ক। তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মাঠে ফিরেছে। দেখে ভালো লাগছে। টি-২০ বিশ্বকাপও আয়োজন করা যেত, তবে তা অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হতো। যা হয়েছে, ভালো হয়েছে।’

Social Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *