ইমরুল কায়েস , ছবিঃ সংগৃহীত।

চার মাস পর ব্যাট ধরতে পেরে ভালো লাগছে : ইমরুল

প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের কারনে গেল চার মাসে দেশের ক্রিকেট স্থম্ভিত ছিলো। অবশেষে গতকাল থেকে চার ভেন্যুতে অনুশীলন করার অনুমতি পান দেশের ক্রিকেটাররা। আজ ছিলো দ্বিতীয় দিন। আজ মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুশীলন করেন বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যান ইমরুল কায়েস। ইনডোরে ব্যাটিং অনুশীলন করেছেন তিনি। চার মাস পর ব্যাট ধরতে পেরে সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেন ইমরুল।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী গতকাল, প্রথম দিন মিরপুরে অনুশীলন করেন উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম, মিডল-অর্ডার ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ মিথুন ও পেসার শফিউল ইসলাম। প্রথম দিন ছিলেন না ইমরুল।

বৃষ্টির কারনে বিলম্বিত হয়েছিলো ইমরুলের অনুশীলনের সময়। তাই একাডেমি মাঠে জগিং করতে পারেননি তিনি। তবে ইনডোরে স্বাস্থ্য বিধি মেনে বোলিং মেশিনে ব্যাটিং করেন ইমরুল।

ব্যাটিং শেষে ইমরুল বলেন, ‘প্রায় চার মাস পর ব্যাট ধরলাম, ব্যাটিং করলাম, ভিন্ন এক অনুভূতি। খুব ভালো লাগছে। বাসায় ওয়ার্কআউট করেছি, রানিং বা জিম করেছি। কিন্তু ব্যাটিং করার অভ্যাস ছিল না। খুব ভালো লাগছে।’

চার ভেন্যুতে মোট নয়জন খেলোয়াড় ব্যক্তিগত অনুশীলন করছে। কোভিড-১৯এর কারনে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই অনুশীলনের সুব্যবস্থা করেছে বিসিবি।

গতকাল প্রথম দিন মিরপুরে অনুশীলন করেছেন মুশফিক, শফিউল। আজ তাদের বিশ্রাম দেয়া হয়েছে। তবে শুধুমাত্র মোহাম্মদ মিঠুন আজ অনুশীলনের অনুমতি দেয়া হয়, কিন্তু সে জিম ও ইনডোরে ব্যাটিং করেই সময় পার করেছেন। কারন বৃষ্টির কারনে আউটফিল্ড ভেজা ছিলো। তাই মাঠে যেতে পারেননি মিঠুন।

গেল মার্চের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ খেলা শুরুর পরই করোনার কারনে স্থগিত হয়ে যায় আসর। এরপর নিজ নিজ বাসায় ফিটনেস নিয়ে কাজ করেছেন খেলোয়াড়রা।

কিন্তু চার মাস ক্রিকেট থেকে দূরে থাকায়, ফিটনেসে প্রভাব পড়েছে খেলোয়াড়দের। তবে কয়েকটি অনুশীলন সেশন করলেই পুরোপুরিভাবে আবারো ফিট হয়ে যাবেন বলে জানান ইমরুল।

তিনি বলেন, ‘আশা করি এই সুযোগটা কাজে লাগাতে পারবো। এখন একটা বিরতি আছে তাতে আমরা স্কিল ও ফিটনেস নিয়ে কাজ করতে পারবো। আমার মনে হয় ভালো সময় খেলোয়াড়দের জন্য, যদি আমরা সময়টা কাজে লাগাতে পারি। তাহলে স্কিল ও ফিটনেসের দিক দিয়ে আমরা আরেক ধাপ এগিয়ে যেতে পারবো।’

Social Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *