ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়া টেস্ট ম্যাচ , ছবিঃ সংগৃহীত।

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী অস্ট্রেলিয়া বধের মারণাস্ত্র ‘টিভি সিরিজ’

‘টিভি সিরিজ’ দেখে অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর আত্মবিশ্বাস পাচ্ছে ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ড টেস্ট ক্রিকেট দলের অধিনায়ক জো রুট ও অলরাউন্ডার বেন স্টোকসের বিশ্বাস টিভি সিরিজ দেখেই তারা চিরপ্রতিদ্বন্দি অসিদের হারানোর রসদ পাচ্ছে।

কোরোনাভাইরাস প্রতিরোধ

কোরোনাভাইরাস প্রতিরোধ

গত জুনে নিজেদের মাটিতে ওয়ানডে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ফাইনালে উঠে ইংল্যান্ড। এরপর দেশের মাটিতে অ্যাশেজে পিছিয়ে পড়েও সিরিজ সমতায় শেষ করে ইংলিশরা। পরের অ্যাশেজে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তাদেরকে হারাতে আত্মবিশ্বাসী ইংল্যান্ড।

পরের অ্যাশেজটি ২০২১-২২ সালে। তবে এখন থেকে অ্যাশেজ নিয়ে পরিকল্পনা রয়েছে রুটদের। আর এর পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে ‘টিভি সিরিজ’।

২০১৮ সালের মার্চে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে কেপটাউন টেস্টে বল বিকৃতির পর খাদের মধ্যে চলে গিয়েছিলো অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট। সেখান থেকে ঘুড়ে দাঁড়িয়ে আজ পুরনো জায়গায় ফিরেছে অসিরা। এসব ঘটনার গল্প নিয়ে ‘দ্য টেস্ট’ নামের এক টিভি সিরিজ বেরিয়েছে অস্ট্রেলিয়ায়।

সেই টিভি সিরিজ দেখেই নাকি এখন অনুপ্রাণিত ইংল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়াকে বিপক্ষে তাদেরই মাটিতে অ্যাশেজ সিরিজ জয়ের অনুপ্রেরণা খুঁজে পেয়েছেন ইংলিশ অধিনায়ক রুট। রুট বলেন, ‘আমি শুরুতে সিরিজটি দেখতে চাইনি। পরে দেখেছি। সিরিজটি দারুন অনুপ্রেরণা দিয়েছে। এমন কিছু দেখার পর আপনি আরও কঠোর পরিশ্রম করবেন, নিজেকে উদ্দীপ্ত রাখতে চাইবেন।’

রুট আরও বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার যেভাবে বিধ্বস্ত হয়েছিলো, তা সত্যিই কঠিন সময়। মানসিক আঘাত পাওয়া বা মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়াটা খুবই ক্ষতিকর একটা বিষয়। সেখান থেকে উৎরাতে অনেক বেশি ধৈর্য্য, সাধনা, পরিশ্রম প্রয়োজন। অস্ট্রেলিয়া সেটিই করে দেখিয়েছে। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে, কিভাবে ফিরতে হয়।’

রুটের মত ঐ ‘টিভি সিরিজটি’ দেখেছেন স্টোকসও। তাই আগামী অ্যাশেজে অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর স্বপ্ন এখনই দেখছেন স্টোকস। তিনি বলেন, ‘টিভি সিরিজটি আমিও দেখেছি। এখান থেকে অনেক সাহস-আত্মবিশ্বাস পাওয়া যায়। আগামী অ্যাশেজ নিয়ে আমরা ইতোমধ্যে পরিকল্পনা শুরু করে দিয়েছি। আগামী অ্যাশেজে আমাদের সেরা দলটা কেমন হবে, সেটা নিয়ে ভাবছে সবাই। ভবিষ্যত নিয়ে ভাবা খারাপ কিছু না। আমরা চার বছরের পরিকল্পনা দিয়েই বিশ্বকাপ জয় করে দেখিয়েছি। অ্যাশেজ নিয়েও সেভাবে ভাবছি। ঘরের বাইরে অ্যাশেজ জয় হবে বড় অর্জন।’

Social Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *