লিটন-তামিম , ছবি: সংগৃহীত।

তামিমের রেকর্ড ভাঙ্গবে লিটন-সৌম্য

বাংলাদেশের ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটে ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবালের রান যথাক্রমে- ৪৪০৫ (টেস্ট), ৭২০২ (ওয়ানডে) ও ১৭০২ (টি-২০)। ভবিষ্যতে এই রানের সংখ্যা আরও বাড়াবেন তামিম, এতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু এক পর্যায়ে তামিমের রানকেও টপকে যাবেন বাংলাদেশের অন্য দুই ব্যাটসম্যান- লিটন দাসসৌম্য সরকার। এমন বিশ্বাস তামিমের।

কোরোনাভাইরাস প্রতিরোধ

কোরোনাভাইরাস প্রতিরোধ

গতকাল রাতে নিজের ফেসবুকে পেইজে তামিমের লাইভ আড্ডায় এসেছিলেন মোমিনুল হক, সৌম্য সরকার এবং লিটন দাস। সেখানে লিটন ও সৌম্যকে এমন মন্তব্য করেন তামিম।

তামিম বলেন, ‘সত্যি কথা বলতে, আমি এখনও বলছ লিটন আর সৌম্য যে ধরনের খেলোয়াড়, আমার এই রেকর্ডগুলো যদি কেউ ভাঙতে পারে, তোরাই ভাঙবি। আমার কথাটা ধরে রাখিস। সৃষ্টিকর্তা তোদের বিশেষ কিছু প্রতিভা দিয়েই বাংলাদেশে পাঠিয়েছে।

হয়তো বা মাঝে মাঝে আমরা খুব তাড়াতাড়ি সমালোচনা শুরু করে দিই। কিন্তু তোরা যত বেশি খেলবি বাংলাদেশের হয়ে, তত বেশি রেকর্ড ভাঙবি। আজ থেকে ৭ বছর পর এসে বলিস, আমি এই কথাটা বলেছিলাম।’

লিটন-সৌম্যর ব্যাটিং দক্ষতায় এমন কথা বলেন তামিম। সম্প্রতি ওয়ানডেতে এক ইনংসে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের রেকর্ড গড়েন লিটন। ভাঙ্গেন তামিমের রান। ২০০৯ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৫৪ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তামিম। গত মার্চে দেশের মাটিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই ১৭৬ রানের ইনিংস খেলে তামিমকে টপকে যান লিটন।

আবার গত বছর আবার তামিমের দ্রুততম টেস্ট সেঞ্চুরির রেকর্ডে ভাগ বসান সৌম্য। নিউজিল্যান্ডের হ্যামিল্টনে ৯৬ বলে টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি করেন সৌম্য। ২০১০ সালে লর্ডসে ৯৬ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন তামিম। তাই লাইভে লিটন ও সৌম্যকে ভবিষ্যতের রেকর্ডের মালিক বলে অখ্যায়িত করেন তামিম। তামিমের কথা শুনে খুশী হন লিটন ও সৌম্য।

সম্প্রতি দারুন ছন্দে রয়েছেন লিটন। এর কারন জানান লিটন, ‘বিশ্বকাপের আগে আয়ারল্যান্ড সিরিজের সময় আমি নিল ম্যাকেঞ্জির সাথে অনেকক্ষণ কাজ করেছি প্রথমে ও আবার শেষও ব্যাটিং করেছি। নিল আমাকে যে বিষয়টা বলেছে, সেটাতেই আমার ব্যাটিং উন্নতিতে অনেক সাহায্য করেছে, সেটা হচ্ছে ধৈর্য্য ধরে খেলা। এটা আমি কখনোই খেলতাম না, আমি কখনোই কোনদিনই এই অনুশীলনও করিনি। এখন আমি এটা অনেক অনুশীলন করি। কত ধৈর্য্যকরে আমি খেলতে পারি। আমার কাছে মনে হয়, আমি যখন সেভাবে খেলি আমার জন্য তা সহজ হয়।’

ক্যারিয়ারের শুরুটা দারুন ছিলো সৌম্যর। কিন্তু এক-দেড় বছর ধরে বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হচ্ছেন তিনি। তাকে রানে ফেরানোর জন্য টিম ম্যানেজমেন্ট সৌম্যর ব্যাটিং অর্ডার বহুবার পরিবর্তন করেছে। কিন্তু এটিকে দলের স্বার্থ হিসেবেই দেখছেন সৌম্য।

তামিমের সাথে লাইভ আড্ডায় সৌম্য বলেন, ‘দলের স্বার্থে আমি সব মেনে নিই। যতদিন খেলেছি আমি চেষ্টা করেছি যেই পজিশনেই খেলি না কেন, একটা রান করলেও দলের যেন সেটা কাজে লাগে। দলের স্বার্থের কথা চিন্তা করে এসব নিয়ে ভাবি না। আমি ভাবি না যে সাত নম্বরে গেলে কী হবে। আমি মনে করি সাতে নেমে রান করলেও আমার ওপেনিংয়ে ফেরার সুযোগ থাকবে।’

Social Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *