ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ

প্রথম জয়ের সন্ধানে কাল ও:ইন্ডিজের মুখোমুখি হচ্ছে দ:আফ্রিকা

সাউদাম্পটন, ৯ জুন, ২০১৯ : আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপের চলমান দ্বাদশ আসরে নিজেদের প্রথম জয়ের সন্ধানে আগামীকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হবে ফাফ ডু প্লেসিসের দক্ষিণ আফ্রিকা। সাউদাম্পটনে এটি হবে টুর্নামেন্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় ও দক্ষিণ আফ্রিকার চতুর্থ ম্যাচে। ৩০ মে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের কাছে ১০৪ রানের বড় ব্যবধানে পরাজিত হয় প্রোটিয়ারা। দ্বিতীয় ম্যাচে শক্তিশালী বাংলাদেশের কাছে ২১ রানে পরাজিত হওয়ার পর তৃতীয় ম্যাচে ফেবারিট ভারতের কাছে ৬ উইকেটে হারে ফাফ ডু প্লেসিসের দল। যার অর্থ হচ্ছে টুর্নামেন্টে ফিকে হয়ে আসছে দলটির ভবিষ্যত।

পক্ষান্তরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ নিজেদের দুই ম্যাচে জয়-পরাজয় উভয় স্বাদই পেয়েছে। নিজেদের প্রথম ম্যাচে পেস দিয়ে পাকিস্তানকে উড়িয়ে দেয়ার পর দ্বিতীয় ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ১৫ রানে পরাজিত হয়েছে। তবে দ্বিতীয় ম্যাচটিও তাদের জেতা উচিত ছিল।
বর্তমান ফর্ম অনুযায়ী ক্যারিবিয়ানরা কালকের ম্যাচে ফেবারিট হিসেবেই শুরু করবে। যদিও দক্ষিণ আফ্রিকা কিংবা অন্য কোন দলকে এখনই হিসেবের বাইরে ঠেলে দেয়া যাচ্ছে না।

এ দিকে শেষ মুহূর্তে এবি ডি ভিলিয়ার্সের বিশ্বকাপে খেলার বিতর্কিত প্রস্তাব নিয়ে খুব বেশি আলোচনা শুরু হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকা কোচ ওটিস গিবসন।

ডি ভিলিয়ার্স কোচ গিবসন ও অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিসের সঙ্গে যোগাযোগ করে অবসর ভেঙ্গে বিশ্বকাপ খেলতে চেয়েছিলেন বলে জানা গেছে।

তবে গত বছর অবসরে যাওয়া ডি ভিলিয়ার্স ফিরতে চেয়েছিলেন বলে স্বীকার করা হয়েছে। শেষ মুহূর্তে যদি তাকে দলে নেয়াও হতো সেটা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে পাকিস্তান ও শ্রীলংকার বিপক্ষে সিরিজে খেলা অন্য খেলোয়াড়দের প্রতি অন্যায় হতো বলে দাবী জানিয়েছেন গিবসন।
গত বুধবার ভারতের বিপক্ষে পরাজয় দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা টুর্নামেন্টে টানা তিন ম্যাচে হারের স্বাদ পাওয়ার পরই ডি ভিলিয়ার্সের বিষয়টি আলোচনায় আসে। এ পর্যন্ত তিন ম্যাচের সব ক’টিতে পরাজয় মানে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখতে গিবসনের দলকে সামনের ছয় ম্যাচেই জিততে হবে।

সাউদাম্পটনে ম্যাচ-পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে ডি ভিলিয়ার্স ইস্যুটি নিয়ে জানতে চাইলে গিবসন জানান, ৩৫ বছর বয়সী এ তারকা খেলোয়াড়ের সঙ্গে তার কথা হয়েছে। বছরের শুরুতেই তাকে পাওযার বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলেছিলেন।

গিবসন বলেন, ‘এবি আমাকে ফোন করেছিল, আমার মনে আছে ঐদিনই বিশ্বকাপের প্রাথমিক স্কোয়াড ঘোষণা করার কথা ছিল। ঐ মুহূর্তে অনেক কিছুই মনের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছিল।’

তিনি আরো বলেন ,‘আমরা তখন তাকে ছাড়াই বিশ্বকাপের দল ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলাম। তারপরেও ডিসেম্বর পর্যন্ত একটা সুযোগ ছিল। কিন্তু ঐ সময়ের পর আসলেই সবকিছু দেরী হয়ে গিয়েছিল। সে জানতো সে যদি সত্যিকার অর্থেই বিশ্বকাপে খেলতে চাইতো তবে পাকিস্তান ও শ্রীলংকার বিপক্ষে ১০টি ম্যাচ তার জন্য ও আমাদের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’

Social Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *