জ্যাক ক্যালিস ,ছবি :সংগৃহীত।

প্রোটিয়াদের ইংল্যান্ডকে অনুসরণ করতে আহবান ক্যালিসের

লন্ডন, ২৫ জুন, ২০১৯ : এক দিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের পুনর্জাগরণ থেকে শিক্ষা নিতে প্রোটিয়াদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকান গ্রেট জক ক্যালিস। চলতি বিশ্বকাপ থেকে সবার আগে দক্ষিণ আফ্রিকা ছিটকে যাওয়ার পর এ আহবান জানান দেশটির সাবেক এ তারকা অলরাউন্ডার। দশ দলের এ টুর্নামেন্টে যদিও এখনো দক্ষিণ আফ্রিকার দু’টি ম্যাচ বাকি আছে। তথাপি রোববার পাকিস্তানের কাছে ৪৯ রানে পরাজিত হওয়ায় দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে সেমিফাইনাল খেলার আর কোন সম্ভাবনা নেই।

পাকিস্তানের ৭ উইকেটে ৩০৮ রানের জবাবে খেলতে নেমে দল ৯ উইকেটে ২৫৯ রান পর্যন্ত যেতে সক্ষম হওয়ার পর দক্ষিণ আফ্রিকা অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসিস কোর রাভ-ঢাক না রেখেই বলেছেন, তারা ‘লজ্জার শেষ সীমানায়’ পৌঁছে গেছে। তবে নিজ প্রজন্মের অসাধারণ অলরাউন্ডার ক্যালিস বলেছেন, ২০১৫ বিশ্বকাপে প্রথম রাউন্ড থেকেই ছিটকে পড়ার পর ইংল্যান্ড যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে, দক্ষিণ আফ্রিকার উচিত সেখান থেকে শিক্ষা নেয়া।

গত বিশ্বকাপের পর ইয়োইন মরগানের নেতৃত্বাধীন দলটি ওয়ানডে র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষ স্থান দখল করেছে এবং এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম ফেবারিট। আইসিসির এক কলামে ক্যালিস লিখেছেন, ‘দল পুনর্গঠনে ইংল্যান্ড তাদের ২০১৫ বিশ্বকাপের হতাশাজনক পারফরমেন্সকে ব্যবহার করেছে এবং তাদের মানসিকতা ও ওয়ানডে ক্রিকেটের এ্যাপ্রোচে তাদের পুরোপুরি পরিবর্তন এনেছে।’

এ্যাপ্রোচে পরিবর্তন আনা মানে এই নয় যে প্রোটিয়াদের একটি নতুন দল নিয়ে শুরু করতে হবে উল্লেখ করে ক্যালিস বলেন,‘ ইংল্যান্ড এখন নির্ভিক ক্রিকেট খেলে এবং ভুল হতে পারে তাতে ভীত নয়। আমার মতে টুর্নামেন্টে দক্ষিণ আফ্রিকার এ্যাপ্রোচ ছিল খুবই রক্ষণাত্মক এবং সামনে এগিয়ে যেতে তাদের প্রতিটি ম্যাচে ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে আক্রমণাত্মক হওয়া উচিত।
তিনি আরো বলেন,‘আপনার খোল-নলচে পরিবর্তন করার দরকার নেই। চার বছর আগের ন্যায় মরগান এখনো ইংল্যান্ড দলের অধিনায়ক আছেন। সামনে এগিয়ে যেতে সব কিছু পরিস্কার করা একমাত্র পন্থা নয়। আমাদের অনেক কিছু বিবেচেনা করতে হবে, চিন্তা করতে হবে।’

‘দক্ষিণ আফ্রিকা দলে ভাল বেশ কয়েকজন তরুণ খেলোয়াড় আছে যাদের বয়স বিশ এর কোটায় (কাগিসো রাবাদা ২৪, লুঙ্গি এনডিগি ২৩, আন্দিল ফেলুকুয়াও ২৩ এবং আইডেন মার্করাম ২৪) এবং তারা ভবিষ্যতের ভিত্তি হতে পারে।’
তিনি আরো বলেন, ‘প্রথম যে বিষয়টি দেখতে হবে তা হচ্ছে-দক্ষিণ আফ্রিকা কোন ধরনের ক্রিকেট খেলছে। চার বছরে কত দ্রুত পরিবর্তন সম্ভব ইংল্যান্ড তার প্রমাণ।’

Social Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *