ছবি: ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই ).

ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটাররা বেতন পাচ্ছেন না!!

গত মার্চে ঘরোয়া আসর রঞ্জি ট্রফি ও সৈয়দ মুশতাক আলী ট্রফি খেলা ভারতের ক্রিকেটাররা এখনো ক্রিকেট বোর্ডের কাছ থেকে তাদের প্রাপ্য অর্থ বুঝে পায়নি, এমনই একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দেশটির জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধ

করোনাভাইরাস প্রতিরোধ

অথচ গত অক্টোবরে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) দায়িত্ব নেয়ার পর, সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলী বলেছিলেন, আমার প্রথম এজেন্ডাই হবে ঘরোয়া ক্রিকেটারদের দেখভাল করা। তাদের সকল সুযোগ-সুবিধার দিকে সর্বদা নজরদারি করবে বিসিসিআই।

কিন্তু বাস্তবে ঘটলো উল্টো ঘটনা। টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রঞ্জি ট্রফি ও সৈয়দ মুশতাক আলী ট্রফি খেলা ক্রিকেটাররা এখনো তাদের পারিশ্রমিক বুঝে পাননি। গেল মৌসুমের দু’টি প্রতিযোগিতা গেল মার্চে শেষ হয়েছে।

কিন্তু তিন মাস পেরিয়ে গেলেও সেসব খেলার ম্যাচ ফি বা অন্যান্য আনুষঙ্গিক অর্থ এখনো পাননি ক্রিকেটার।

রঞ্জি ট্রফিতে প্রতিজন ক্রিকেটার প্রতি ম্যাচ ফি ৩৫ হাজার রুপি পেয়ে থাকেন। আর মুশতাক আলী ট্রফিতে ম্যাচ ফি প্রতি ১৭ হাজার ৫শ রুপি পেয়ে থাকেন। পুরো মৌসুম খেললে একজন ক্রিকেটার প্রায় ১৩ লাখ টাকার পেয়ে থাকেন।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার আরও বলছে, মুম্বাই, মহারাষ্ট্র, বেঙ্গল এবং ত্রিপুরাসহ আরও বেশ কিছু ঘরোয়া দল এখনও চলতি বছরের ম্যাচ ফি’র টাকা পায়নি। এরমধ্যে, কোন কারণ ছাড়াই মহারাষ্ট্রের অর্থ দেয়া বন্ধ করে দিয়েছে বিসিসিআই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ক্রিকেটার বলেছেন, ‘প্রাপ্য অর্থ এই লকডাউনে অনেক কাজে লাগত। বিসিসিআই ও রাজ্য সংস্থাগুলোর বোঝা উচিত, আমরা এ বছর বাইরে খেলে আয় করার সুযোগ হারিয়েছি। আইপিএল হওয়ার কোনো নিশ্চয়তা নেই। ফলে বেশিরভাগ খেলোয়াড়কে নির্ভর করতে হয় ঘরোয়া ম্যাচ ফির ওপর।’

তবে বিসিসিআইয়ের কোষাধক্ষ্য অরুণ ধুমাল, বিষয়টিকে কারিগরি ত্রুটি হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন, ‘এটা হয়তো কোনো কারিগরি সমস্যার কারণে হয়েছে, আমরা হয়তো কিছু রাজ্য সংস্থা থেকে ইনভয়েস পাইনি। এর মাঝে রঞ্জি চ্যাম্পিয়ন হওয়া সৌরাষ্ট্র ও রানার্সআপ বাংলাকে প্রথম ও দ্বিতীয় হওয়ার পুরস্কারের অর্থ পাঠিয়ে দিয়েছি। হয়তো ইনভয়েসের সত্যতা যাচাইয়ে কোনো সমস্যা হয়েছে। এছাড়া আমরা সকল ক্রিকেটারের টাকা পরিশোধ করে দিয়েছি।’

Social Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *