স্টিভ স্মিথ , ছবিঃ সংগৃহীত।

ভিত্তিহীন অভিযোগে বিস্মিত স্মিথ

সিডনি টেস্টে ভারতের উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান ঋষভ পান্থের ‘গার্ড মার্ক’ মুছে দিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ। স্মিথকে নিয়ে সমালোচনা সর্বত্র। বিশ্ব ক্রিকেটের অনেক তারকারাই স্মিথের সমালোচনা করছেন। অবশেষে এ বিষয় নিয়ে মুখ খুললেন স্মিথ। তিনি জানান, কোনভাবেই পান্থের ‘গার্ড মার্ক’ মুছে দেয়ার চেষ্টা করেননি তিনি।

সিরিজের তৃতীয় টেস্টটি পঞ্চম ও শেষ দিনে নাটকীয়তায় রুপ নিয়েছিলো। জয়ের জন্য ভারতের প্রয়োজন ছিলো ৩০৯ রানের।

আর অস্ট্রেলিয়ার দরকার ছিলো ৮ উইকেটের। পঞ্চম দিনের শুরুতেই ভারতের অধিনায়ক আজিঙ্কা রাহানেকে তুলে নিয়ে ম্যাচের লাগাম টেনে ধরে অস্ট্রেলিয়া। তবে উইকেটে গিয়ে কাউন্টার অ্যাটাক করেন ভারতের পান্থ।

ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাট করে ভারতের জয়ের আশা জাগিয়ে তুলেন পান্থ। সাথে ছিলেন চেতেশ্বর পূজারা। কিন্তু শেষ দিনের চা-বিরতির পর দেখা যায়, কেউ একজন ব্যাটিং ক্রিজের লাইন জুতোর স্পাইক দিয়ে দাগ কাটচ্ছেন। কিন্তু কে ছিলো, তার মুখ স্টাম্পের ক্যামেরায় দেখা যায়নি। তবে স্টাম্পের ক্যামেরায় ঐ খেলোয়াড়ের পেছনে লেখা জার্সির নম্বর দেখা যায়। সেখানে লেখা ছিলো ‘৪৯’ নম্বর।

আর স্মিথের জার্সি নম্বরই ছিল ৪৯। এরপরই শুরু হয় বিতর্ক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও সাবেক ক্রিকেটাররাও স্মিথের অখেলোয়াড়ি মনোভাবের নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

সমালোচকদের এমন সমালোচনাকে ভিত্তিহীন বলছেন স্মিথ। তিনি বলেন, ‘এমন আমি প্রতিটা ম্যাচেই করি। ক্রিজে শ্যাডো ব্যাটিং করার মাধ্যমে কল্পনা করার চেষ্টা করি, আমাদের বোলাররা কোথায় বল করছে। কিভাবে আমাদের বোলারদের খেলছে ব্যাটসম্যান। তারপর অভ্যাসবশত ক্রিজে সেভাবে মার্ক করি।’

স্মিথ আরও বলেন, ‘এটা সত্যি লজ্জার যে ভারতের দারুণ ভাল ব্যাটিং পারফরম্যান্সটা চাপা পড়তে যাচ্ছে এবং আরও কয়েকটা ঘটনার জন্য।’

এদিকে, স্মিথের পাশে দাঁড়িয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক টিম পাইন। তিনি বলেন, ‘আপনারা টেস্টে স্মিথকে ভাল করে লক্ষ্য করলে দেখবেন, প্রতি ম্যাচে এমন কাজ অনেকবারই করে থাকে সে। ক্রিজে দাঁড়িয়ে সে শ্যাডো করে থাকে। আমরা সবাই জানি, স্মিথের কিছু অদ্ভুত স্বভাব আছে। যার মধ্যে একটা হল, তার ব্যাটিং ক্রিজের মাঝে জুতো দিয়ে দাগ কাটা। তাই আমি বলতে পারি, পান্থের ‘গার্ড মার্ক’ বদলায়নি সে।’

Social Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *