স্টিভ স্মিথ , ছবিঃ সংগৃহীত।

স্মিথের অন্য রকম গর্ব

ভারতের বিপক্ষে সিডনি টেস্টের দ্বিতীয় দিনে আজ সেঞ্চুরি করেছেন অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ। তবে এ সেঞ্চুরিতে অন্য রকম গর্ব বোধ করছেন স্মিথ। কারন ২২ গজে ব্যাট হাতে স্মিথের ২৭তম সেঞ্চুরির সময় মাঠে উপস্থিত ছিলেন তার বাবা-মা। তাই বাবা-মা’র সামনে সেঞ্চুরি করতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করছেন স্মিথ।

সিরিজের তৃতীয় টেস্টের দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে নিজের সেঞ্চুরি নিয়ে স্মিথ বলেন, ‘এই সেঞ্চুরিটি আমার কাছে বিশেষ কিছু।

আমি সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড খেলতে পছন্দ করি। কারন এটি আমার ঘরের মাঠ। নিজের হোম গ্রাউন্ড ব্যাট করাটা আমার জন্য দুর্দান্ত জায়গা। তবে এই সেঞ্চুরিটি বিশেষ কিছু হয়ে গেছে। কারন আমার মা-বাবাও গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন এবং আমার সেঞ্চুরি তারা মাঠে বসেই দেখেছেন। বাবা-মা’র সামনে সন্তানের সেঞ্চুরি করাটা সত্যিই গর্বের।’

অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের ৯৮তম ওভারের শেষ বলে টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৭ এবং ভারতের বিপক্ষে অষ্টম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন স্মিথ।

শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হবার আগে ১৩১ রান করেন স্মিথ। তার ২২৬ বলের ইনিংসে ১৬টি চার মারেন স্মিথ।

এই সেঞ্চুরিতে ভারতের বিরাট কোহলি, গ্রায়েম স্মিথ ও অ্যালান বোর্ডারের পাশে লেখালেন স্মিথ। তাদের সকলেরই এখন সমান ২৭টি করে সেঞ্চুরি।

২৭তম সেঞ্চুরিতে ভারতের দুই মাস্টার বøাস্টার ব্যাটসম্যান সুনীল গাভাস্কার-শচীন টেন্ডুলকার ও অধিনায়ক কোহলি এবং অস্ট্রেলিয়ার ম্যাথু হেইডেনকে পেছনে ফেললেন স্মিথ। কারন ৭৬ টেস্টের ১৩৬ ইনিংসে ২৭তম সেঞ্চুরি করলেন স্মিথ। আর কোহলি-টেন্ডুলকার ১৪১ ইনিংসে, গাভাস্কার ১৫৪ ও হেইডেন ১৫৭ ইনিংসে ২৭তম সেঞ্চুরি করেছিলেন।

তবে স্বদেশী কিংবদন্তি ডন ব্র্যাডম্যানকে টপকাতে পারেননি স্মিথ। ৭০ ইনিংসে ২৭টি সেঞ্চুরি করে রেকর্ডের মালিক এখনও ব্র্যাডম্যান।

ভারতের বিপক্ষে চলমান সিরিজের প্রথম দুই টেস্টে মাত্র ১০ রান করেছিলেন স্মিথ। আজ সেঞ্চুরি করতে পারায় আনন্দিত স্মিথ।

সমালোচকদের মুখ বন্ধ করতে পারাটা আনন্দের বলে জানান তিনি, ‘ফর্মে ফিরতে পেরে ভালো লাগছে। প্রথম দুই ম্যাচে রান করতে পারিনি। তাই রানের জন্য অস্থির ছিলাম। অনেকেই বলাবলি করছে, আমি ফর্মে নেই। কিন্তু আমি মনে করি ফর্মহীনতা ও রান খরার মধ্যে পার্থক্য আছে। এই সেঞ্চুরিতে কিছু মানুষের মুখ বন্ধ থাকবে।’

Social Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *