জাতীয় ক্রিকেট লীগ ,ছবিঃ সংগৃহীত।

১০ অক্টোবর থেকে শুরু হবে জাতীয় ক্রিকেট লীগ

ঢাকা, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ : আগামী ১০ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে শীর্ষস্থানীয় প্রথম শ্রেণীর ঘরোয়া ক্রিকেট জাতীয় ক্রিকেট লীগ (এনসিএল)। ভারতের বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজের প্রস্তুতি হিসেবে টুর্নামেন্টে অংশ নিবে দেশের প্রায় সব তারকা ক্রিকেটার।

বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপের অংশ হিসেবে নভেম্বরে ভারতের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। এর প্রস্তুতি হিসেবে এই মৌসুমে এনসিএলের চেয়ে আর বড় কোন টুর্নামেন্ট নেই। যে কারণে তামিম ইকবাল, মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, মুশফিকুর রহিমের মত দেশের তারকা ক্রিকেটরারা অংশ নিতে যাচ্ছে এনসিএলের প্রথম চার রাউন্ডে। দীর্ঘ চার বছর পর এনসিএলে খেলতে যাচ্ছেন টাইগার দলের ওপেনিং ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল। আর মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও মুশফিকুর রহিম ২০১৭ সালে একবার মাত্র এই আসরে খেলেছেন।

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিজাম উদ্দিন চৌধুরী বলেন, এবারের মৌসুমের মূল লক্ষ্য এই টুর্নামেন্টকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তোলা। যেখানে ফিটনেসের বিষয়টিকে আলাদা গুরুত্ব দেয়া হবে।

তিনি বলেন, ‘আগামী ১০ অক্টোবর শুরু হতে যাচ্ছে এনসিএল। এনসিএল সংক্রান্ত টুর্নামেন্ট কমিটির বৈঠকে আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। টুর্নামেন্টটিকে কিভাবে আরো আকর্ষণীয় ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করা যায় সে বিষয়েও আমরা কথা বলেছি।’

নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘এই মুহুর্তে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দেরও পাওয়া যাচ্ছে। তারা নিজেদের ফিটনেস ধরে রাখার জন্য টুর্নামেন্টে অংশগ্রহন করবেন।’

এদিকে জাতীয় দলের বাইরে থাকা সিনিয়র খেলোয়াড়রা বিপ টেস্টের বর্তমান মাত্রা নিয়ে আপত্তি তুলেছে। যেটি ৯ থেকে ১১ তে নিয়ে আসা হয়েছে। খেলোয়াড়দের ফিটনেস পরীক্ষার প্রধান ধাপই হচ্ছে এই বিপ টেস্ট। সিইও অবশ্য বলেছেন, ফিটনেসের বিষয়টিকে তারা গুরুত্ব সহকারে নিয়েছেন। এই বিষয়ে কোন ছাড় দেয়া হবে না।

তিনি বলেন, আমরা যেটি ধার্য্য করেছি সেটিই হচ্ছে ফিটনেসের সঠিক মান। এটি দেখভালের দায়িত্বে থাকবেন নির্বাচকরাই। তারাই বিবেচনা করবেন কোন খেলোয়াড় ফিট এবং কোন জন ফিট নন। বৈঠকে খেলোয়াড়দের ফিটনেস নিয়ে প্রচুর আলোচনা হয়েছে। এ কারণেই আমরা এই বিষয়টিকে বেশী জোর দিচ্ছি।’

দেশের চারটি ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে এনসিএলের ম্যাচ। এগুলো হচ্ছে ফতুল্লাহ’র খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়াম, মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, রাজশাহীর শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়াম ও খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়াম।

নিয়মানুযায়ী দুই স্তরের এই টুর্নামেন্টের শীর্ষ দল উপরের ধাপে উঠে যাবে এবং তলানীর দলের অবনমন ঘটবে। নিজাম উদ্দিন বলেন, গত আসরে যে ধরনের উইকেট ব্যবহৃত হয়েছিল তেমন উইকেটেই অনুষ্ঠিত হবে এবারের টুর্নামেন্ট। তিনি বলেন, ‘গত আসরে উইকেট নিয়ে সন্তুষ্ট ছিল খেলোয়াড়রা। তাই এবারও সে ধরনের উইকেট তৈরী করা হবে।’ এবার যে ম্যাচ ফি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হবেনা সেটিও জানিয়ে দেন বিসিবির এই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ‘আমরা কিছু কিছু ক্ষেত্রে ম্যাচ ফি বাড়িয়েছি। এই মৌসুম শেষেই আমরা বোর্ড সভায় এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব। সেখানেই সিদ্ধান্ত হবে ফি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হবে কিনা।’

Social Share

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *